1xjet শুধু একটি অনলাইন বেটিং সাইট নয় — এটা বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেট ও ফুটবল প্রেমীর আবেগের সাথে মিলে যাওয়া একটি প্ল্যাটফর্ম। যেখানে ভাষা বাধা নয়, পেমেন্ট জটিল নয়, আর সাপোর্ট সবসময় আপনার পাশে।
২০১৯ সালে যখন 1xjet শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশের অনলাইন বেটিং বাজারে একটা বড় ফাঁক ছিল। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি ছিল জটিল, এবং কাস্টমার সাপোর্ট ছিল বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি নয়।
1xjet-এর প্রতিষ্ঠাতারা মনে করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য এমন একটি প্ল্যাটফর্ম দরকার যেটা তাদের ভাষায় কথা বলে, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করে এবং তাদের খেলার আবেগকে সম্মান করে।
1xjet সবসময় বাংলাদেশের মানুষকে প্রথমে রাখবে। প্রতিটি আপডেট, প্রতিটি নতুন ফিচার এবং প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এই প্রশ্নটা মাথায় রেখে — "বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের জন্য এটা কি আসলেই ভালো?"
প্রতিটি ফিচার তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের চাহিদা মাথায় রেখে
মেনু থেকে সাপোর্ট, বোনাসের শর্ত থেকে গেমের নিয়ম — সব কিছু বাংলায়। কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইংরেজিতে লুকিয়ে রাখা হয় না। ঢাকার তরুণ বা রংপুরের কৃষক — সবার জন্য সমান সহজ।
বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে তাৎক্ষণিক লেনদেন। জমা প্রায় তাৎক্ষণিক, উত্তোলন গড়ে ৩-৫ মিনিটে। কোনো অতিরিক্ত ফি নেই, কোনো লুকানো চার্জ নেই।
বাংলাদেশের ৮৭% ব্যবহারকারী মোবাইলে খেলেন। তাই 1xjet-এর প্রতিটি ফিচার মোবাইল স্ক্রিনের জন্য অপটিমাইজড। পুরনো Android ফোনেও একই দ্রুততা — RAM বা স্টোরেজ কম হলেও সমস্যা নেই।
রাত ৩টায়ও কোনো সমস্যা হলে বাংলায় লাইভ চ্যাটে সাহায্য পাবেন। রোবোটিক উত্তর নয়, বাস্তব মানুষ আপনার সমস্যা বুঝে সমাধান দেবেন। গড় প্রথম উত্তর সময় মাত্র ৩ মিনিট।
256-bit SSL এনক্রিপশন, দ্বি-স্তরীয় অথেনটিকেশন এবং খেলোয়াড়দের তহবিল সম্পূর্ণ আলাদা অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। আপনার টাকা কখনো অন্য কাজে ব্যবহার করা হয় না।
স্লট থেকে লাইভ ক্যাসিনো, ক্রিকেট থেকে ফুটবল — সব ধরনের বিনোদন একই প্ল্যাটফর্মে। নতুন গেম প্রতি সপ্তাহে যোগ হয়, নতুন স্পোর্টস মার্কেট নিয়মিত আসে।
২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন 1xjet প্রথম চালু হয়, তখন প্ল্যাটফর্মে ছিল মাত্র কয়েকশো গেম আর সীমিত পেমেন্ট অপশন। কিন্তু একটা জিনিস শুরু থেকেই পরিষ্কার ছিল — এই প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের মানুষের জন্য। বাংলায় কথা বলবে, বাংলাদেশের পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থন করবে, আর বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীদের হৃদয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।
প্রথম বছরেই বোঝা গেল এই দৃষ্টিভঙ্গিটা ঠিক। ব্যবহারকারীরা বললেন তারা এমন একটা জায়গা খুঁজছিলেন বহুদিন ধরে। বিদেশি সাইটে যেখানে ইংরেজি বুঝতে গিয়ে মাথা ঘুরত, সেখানে 1xjet-এ সব কিছু সহজ মনে হলো। ক্রমে ক্রমে ব্যবহারকারী বাড়তে লাগল — ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী, ময়মনসিংহ থেকে বরিশাল।
২০২০ সালে bKash-এর সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন চালু হলো। এটা একটা মাইলফলক ছিল — কারণ বাংলাদেশের মানুষের কাছে bKash শুধু একটা পেমেন্ট অ্যাপ নয়, এটা তাদের ডিজিটাল জীবনের কেন্দ্র। 1xjet-এ bKash যোগ হওয়ার পর ব্যবহারকারী তিনগুণ বেড়ে গেল কয়েক মাসের মধ্যে।
২০২১ সালে মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ হলো। দলের ডেভেলপাররা একটাই লক্ষ্য রেখেছিলেন — অ্যাপটা যেন বাংলাদেশের সব ধরনের ফোনে চলে। নতুন Samsung থেকে পুরনো Symphony, শক্তিশালী Xiaomi থেকে সাশ্রয়ী Walton — সব ডিভাইসে পরীক্ষা করা হলো। Android 6.0 থেকে সাপোর্ট দেওয়া হলো যাতে পুরনো ফোনের মালিকরাও বাদ না পড়েন।
২০২২ সালে লাইভ ক্যাসিনো সেকশনে বাংলা-ভাষী ডিলার যোগ হলো। এটা একটা সাহসী সিদ্ধান্ত ছিল — বাংলায় ডিলার রাখা অনেক খরচের বিষয়। কিন্তু 1xjet মনে করেছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা এটা পাওয়ার যোগ্য। প্রতিক্রিয়া অভূতপূর্ব ছিল — ব্যবহারকারীরা বললেন এটাই তারা চাইছিলেন।
২০২৩-২৪ সালে স্পোর্টস বেটিং বিভাগ আরো সমৃদ্ধ হলো। IPL, BPL, বিশ্বকাপ — প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টে 1xjet বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য বিশেষ প্রমোশন ও অফার নিয়ে এলো। লাইভ স্কোর, ইন-প্লে বেটিং, ক্যাশ আউট — একটার পর একটা ফিচার যোগ হলো।
আজ ২০২৬ সালে 1xjet-এ ৮,৫০,০০০-এর বেশি নিবন্ধিত সদস্য, ৪,৮০০+ গেম এবং ৩০টিরও বেশি স্পোর্টসে বেটিংয়ের সুবিধা। ৬৪টি জেলার ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন 1xjet-এ লগইন করেন। কিন্তু সংখ্যার চেয়েও বড় কথা — ১২,৪০০+ রিভিউয়ের মধ্যে ৯১% ইতিবাচক। এটাই 1xjet-এর সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
আগামী দিনেও 1xjet-এর পথচলা একই দিকে থাকবে। নতুন ফিচার আসবে, নতুন গেম যোগ হবে, পেমেন্ট পদ্ধতি আরো বিস্তৃত হবে — কিন্তু মূল প্রতিশ্রুতি একটাই থাকবে। বাংলাদেশের মানুষের জন্য, তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্টে।
প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই নীতিগুলো কাজ করে
প্রতিটি ফিচার যোগ করার আগে জিজ্ঞেস করা হয় — এটা কি বাংলাদেশের খেলোয়াড়ের জীবন সহজ করবে? উত্তর না হলে সেই ফিচার আসে না।
বোনাসের শর্ত, উত্তোলনের নিয়ম, পেআউট রেট — সব কিছু বাংলায় স্পষ্ট লেখা। কোনো ছোট হরফের ফাঁদ নেই।
বেটিং আনন্দের জন্য — এটা মনে রাখতে সাহায্য করা আমাদের দায়িত্ব। সীমা নির্ধারণ ও স্ব-বর্জনের সুবিধা সবসময় চালু আছে।
বড় ম্যাচের সময় ডাউন হওয়া চলবে না। ৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করতে ২৪/৭ টেকনিক্যাল টিম সক্রিয় থাকে।
ব্যবহারকারীর প্রতিটি মতামত গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়। প্রতি মাসে আপডেট আসে — শুধু বাগ ঠিক নয়, নতুন সুবিধাও যোগ হয়।
ব্যবহারকারীর তথ্য ও অর্থের নিরাপত্তা সবার আগে। নিরাপত্তার কোনো শর্টকাট নেওয়া হয় না, যতই খরচ হোক।
প্রতিটি বছর 1xjet আরো শক্তিশালী হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক দেখুন।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে প্রথম বাংলা ইন্টারফেস চালু। প্রথম মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধন।
বাংলাদেশের দুটি সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ — ব্যবহারকারী তিনগুণ বাড়ল।
মাত্র ২৮ MB-এর হালকা অ্যাপ যা Android 6.0 থেকে চলে — ৫ লাখ ডাউনলোড প্রথম বছরেই।
লাইভ ক্যাসিনোতে বাংলা ভাষায় ডিলার — বাংলাদেশের বেটিং ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথমবারের মতো।
৩০+ খেলায় লাইভ বেটিং, ক্যাশ আউট ফিচার ও পার্লে বিল্ডার — স্পোর্টস বেটিং সম্পূর্ণ নতুন রূপ পেল।
৬৪ জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী, ৪,৮০০+ গেম, ৯৪% ব্যবহারকারী সন্তুষ্টির হার — লক্ষ্য ১০ লাখ সদস্য।
1xjet-এ যেটা সবচেয়ে ভালো লাগে সেটা হলো মনে হয় না কেউ আমাকে ঠকাচ্ছে। বোনাসের শর্ত বাংলায় লেখা, উত্তোলনে কোনো লুকানো কাটছাঁট নেই। এই বিশ্বাসটাই আমাকে এখানে রেখেছে।
— নাফিস আহমেদ, গাজীপুর · ৩ বছরের নিয়মিত সদস্যবাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সেবায় নিবেদিত একটি অভিজ্ঞ দল
প্রতিটি আপডেটের পেছনে এই দল। ব্যবহারকারীর মতামত বিশ্লেষণ করে নতুন ফিচার তৈরি করেন।
৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করতে ২৪/৭ কাজ করেন। বাংলাদেশের নেটওয়ার্কের জন্য অপটিমাইজেশন তাদের বিশেষত্ব।
বাংলায় ২৪/৭ সাহায্যের জন্য প্রস্তুত। গড় প্রথম উত্তর সময় মাত্র ৩ মিনিট — এটাই তাদের গর্ব।
প্রতিটি লেনদেন ও লগইন পর্যবেক্ষণ করেন। সন্দেহজনক কার্যকলাপ শনাক্ত করতে স্বয়ংক্রিয় সিস্টেম ও মানুষ দুটোই কাজ করে।
ডেটা সেন্টার এশিয়ায় — বাংলাদেশে লোড স্পিড সর্বোচ্চ রাখতে।
বাংলা, ইংরেজি — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর জন্য বাংলা সবসময় প্রাধান্য পায়।
bKash, Nagad, Rocket — বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সরাসরি সমর্থিত।
support@1xjet.click — সাধারণত ৩ মিনিটের মধ্যে উত্তর পাবেন।
নতুন ও নিয়মিত সদস্যদের সাধারণ জিজ্ঞাসা
1xjet ডেসিমাল অডস ফরম্যাট ব্যবহার করে, যেটা বোঝা সবচেয়ে সহজ। অডস সংখ্যাটা দেখলেই বুঝবেন আপনি কত গুণ ফেরত পাবেন।
উদাহরণ: অডস ১.৫০ মানে আপনি ১০০ টাকা বেট করলে জিতলে মোট ১৫০ টাকা পাবেন — মানে ৫০ টাকা লাভ। অডস ২.০০ মানে ১০০ টাকায় ২০০ টাকা ফেরত — ১০০ টাকা লাভ। অডস ৩.৫০ মানে ১০০ টাকায় ৩৫০ টাকা।
অডস যত কম (যেমন ১.২০ বা ১.৩০), সেই ফলাফল তত বেশি সম্ভাবনাময় বলে ধরা হয় — কিন্তু জিতলে পুরস্কার কম। অডস যত বেশি (যেমন ৪.০০ বা ৫.০০), জেতার সম্ভাবনা কম কিন্তু পুরস্কার অনেক বেশি।
1xjet-এ বেট স্লিপে বেট রাখলে সাথে সাথে সম্ভাব্য জয়ের পরিমাণ দেখা যায় — আলাদা করে হিসাব করতে হয় না। পার্লে বেটে একাধিক ম্যাচের অডস গুণ হয়ে যায়, তাই পুরস্কার অনেক বেশি হতে পারে।
1xjet-এর VIP প্রোগ্রামে সক্রিয় খেলার ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্তর উঠতে থাকে — আলাদা করে আবেদন করতে হয় না। মূলত পাঁচটি স্তর আছে: ব্রোঞ্জ, সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম ও ডায়মন্ড।
স্তর অনুযায়ী সুবিধা:
গোল্ড থেকে উপরে — উচ্চতর ক্যাশব্যাক হার (৫% পর্যন্ত), দ্রুত উত্তোলন অগ্রাধিকার, সাপ্তাহিক বিশেষ বোনাস।
প্লাটিনামে — ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, জন্মদিনের বিশেষ উপহার, উচ্চতর বেটিং লিমিট।
ডায়মন্ডে — সর্বোচ্চ ক্যাশব্যাক ১০%, বড় ইভেন্টে আমন্ত্রণ, কাস্টম বোনাস ও তাৎক্ষণিক উত্তোলন।
প্রোফাইল পেজে VIP ড্যাশবোর্ড আছে — সেখানে দেখবেন এখন কোন স্তরে আছেন এবং পরবর্তী স্তরে উঠতে আর কত পয়েন্ট দরকার। প্রতিটি বেট থেকে পয়েন্ট জমা হয়।
৮,৫০,০০০+ সদস্যের সাথে যোগ দিন। বিনামূল্যে নিবন্ধন করুন, প্রথম জমায় বোনাস পান এবং বাংলাদেশের সেরা বেটিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।